গীতা-৫ম অধ্যায়-কর্মসন্ন্যাস-যোগ-Srimad bhagavad gita in bengali-Chapter-5

 

গীতা-৫ম অধ্যায়-কর্মসন্ন্যাস-যোগ-Srimad bhagavad gita in bengali-Chapter-5

গীতা অধ্যায় ৫: কর্মসন্ন্যাস যোগ | Bangla Srimad Bhagavad Gita Chapter 5 with Meaning & Explanation"


জীবনের দ্বিধা ও দায়িত্বের মাঝে—কী শ্রেষ্ঠ? কর্ম না কর্মত্যাগ? শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ং এর উত্তর দিয়েছেন গীতার পঞ্চম অধ্যায়ে। আসুন, শুনি ‘কর্মসন্ন্যাস যোগ’, বাংলা অনুবাদ ও ব্যাখ্যা সহ।

শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা যথাযথ

 অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ
(মূল সংস্কৃত শ্লোক ও অনুবাদ)
Krishna Gita Photos



🎙️ শ্লোক ৫.১

অর্জুন উবাচ:
হে শ্রীকৃষ্ণ! তুমি একবার কর্মত্যাগ ও আবার কর্মযোগের কথা বলছো – কোনটি শ্রেয়?
🧘 ব্যাখ্যা: অর্জুন দ্বিধায় পড়ে গেছেন। শ্রীকৃষ্ণ স্পষ্টতা দিচ্ছেন—আসলে আত্মিক উপলব্ধি আছে যেই পদ্ধতিতে, সেটিই শ্রেয়।


🎙️ শ্লোক ৫.২

ভগবান বললেন:
কর্মত্যাগ ও কর্মযোগ দুইই মুক্তিদায়ক, তবে কর্মযোগ উত্তম।
🧘 ব্যাখ্যা: সম্পূর্ণ ত্যাগ নয়, সেবা-ভাবনা সহকারে কর্ম করাও মোক্ষের পথ।


🎙️ শ্লোক ৫.৩ - ৫.৬

সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা সহ:
যিনি কর্মফলে আসক্ত নন, তিনিই প্রকৃত সন্ন্যাসী। যিনি কর্মযোগে যুক্ত, তিনিই শীঘ্র ব্রহ্ম উপলব্ধি করেন।


🎙️ শ্লোক ৫.৭ - ৫.১১

যোগী কর্মে থাকেন, তবু কর্মে লিপ্ত হন না।
🧘 ব্যাখ্যা: প্রকৃত যোগী ইন্দ্রিয় দ্বারা কর্ম করেন, কিন্তু নিজেকে দেহ-চিন্তা থেকে মুক্ত রাখেন। পদ্মপাতায় জলের মতো তিনি কর্মফলে ভিজে না।


🎙️ শ্লোক ৫.১২ - ৫.১৮

সমদৃষ্টির শিক্ষা:
🧘 ব্যাখ্যা: যোগী সকল জীবের মধ্যে ঈশ্বরকে দেখেন—ব্রাহ্মণ, গরু, কুকুর, চণ্ডাল—সকলের মধ্যেই সমদৃষ্টি।


🎙️ শ্লোক ৫.১৯ - ৫.২৩

ব্রহ্মে অবস্থিত শান্ত যোগী:
🧘 ব্যাখ্যা: যিনি প্রিয়-অপ্রিয় উভয়ে নির্লিপ্ত, ইন্দ্রিয়সুখে মগ্ন নন, তিনিই সত্যিকারের আনন্দের স্বরূপকে পান।


🎙️ শ্লোক ৫.২৪ - ৫.২৮

আত্মস্থ যোগীই ব্রহ্মের জ্যোতিরূপ আনন্দ লাভ করেন।
🧘 ব্যাখ্যা: কাম-ক্রোধ জয় করে, দেহে থাকলেও ইহজীবনে মুক্তির স্বাদ পান।


🎙️ শ্লোক ৫.২৯

শেষ শ্লোক:
"ভগবানই সকল যজ্ঞের ভোক্তা, সকল জীবের বন্ধু। যিনি তাঁকে এমন জানেন, তিনিই চিরশান্তি লাভ করেন।"
🧘 ব্যাখ্যা: ঈশ্বরকে হৃদয়ে স্থান দিলে জড় সংসারের কষ্ট আর তেমন লাগে না।


🎬 🎤 End Script (শেষাং

অর্জুন উবাচ
অনুবাদঃ অর্জুন বললেন- হে শ্রীকৃষ্ণ! প্রথমে তুমি আমাকে কর্ম ত্যাগ করতে বললে এবং তারপর কর্মযোগের অনুষ্ঠান করতে বললে। এই দুটির মধ্যে কোনটি অধিক কল্যাণকর, তা সুনিশ্চিতভাবে আমাকে বল। 

অনুবাদঃ পরমেশ্বর ভগবান বললেন- কর্মত্যাগ কর্মযোগ উভয়ই মুক্তিদায়ক। কিন্তু, এই দুটির মধ্যে কর্মযোগ কর্ম সন্ন্যাস থেকে শ্রেয়। 

অনুবাদঃ হে মহাবাহো! যিনি তাঁর কর্মফলের প্রতি দ্বেষ বা আকাঙ্ক্ষা করেন না, তাঁকেই নিত্য সন্নাসী বলে জানবে। এই প্রকার ব্যক্তি দ্বন্দ্বরহিত এবং পরম সুখে কর্মবন্ধন থেকে মুক্তি লাভ করেন।


অনুবাদঃ অল্পজ্ঞ ব্যক্তিরাই কেবল সাংখ্যযোগ ও কর্মযোগকে পৃথক পৃথক পদ্ধতি বলে প্রকাশ করে, পন্ডিতেরা তা বলেন না। উভয়ের মধ্যে যে কোন একটিকে সুষ্ঠুরূপে আচরণ করলে উভয়ের ফলই লাভ হয়। 


অনুবাদঃ যিনি জানেন, সাংখ্য-যোগের দ্বারা যে গতি লাভ হয়, কর্মযোগের দ্বারাও সেই গতি প্রাপ্ত হওয়া যায় এবং যিনি সাংখ্যযোগ ও কর্ম-যোগকে এক বলে জানেন, তিনিই যথার্থ তত্ত্বদ্রষ্টা। 


অনুবাদঃ হে মহাবাহো! কর্মযোগ ব্যতীত কেবল কর্মত্যাগরূপ সন্ন্যাস দুঃখজনক। কিন্তু যোগযুক্ত মুনি অচিরেই ব্রহ্মকে লাভ করেন। 


অনুবাদঃ যোগযুক্ত জ্ঞানী বিশুদ্ধ বুদ্ধি, বিশুদ্ধ চিত্ত ‍ও জিতেন্দ্রিয় এবং তিনি সমস্ত জীবের অনুরাগভাজন হয়ে সমস্ত কর্ম করেও তাতে লিপ্ত হন না। 

অনুবাদঃ চিন্ময় চেতনায় অধিষ্ঠিত ব্যক্তি দর্শন, শ্রবণ, স্পর্শ, ঘ্রাণ, ভোজন, গমন, নিদ্রা ও নিঃশ্বাস আদি ক্রিয়া করেও সর্বদা জানেন যে, প্রকৃতপক্ষে তিনি কিছুই করছেন না। কারণ প্রলাপ, ত্যাগ, গ্রহণ, চক্ষুর উন্মেষ ও নিমেষ করার সময় তিনি সব সময় জানেন যে, জড় ইন্দ্রিয়গুলিই কেবল ইন্দ্রিয়ের বিষয়ে প্রবৃত্ত হয়েছে, তিনি নিজে কিছুেই করছেন না। 

অনুবাদঃ যিনি সমস্ত কর্মের ফল পরমেশ্বর ভগবানকে অর্পণ করে অনাসক্ত হয়ে কর্ম করেন, কোন পাপ তাঁকে কখনও স্পর্শ করতে পারে না, ঠিক যেমন জল পদ্মপাতাকে স্পর্শ করতে পারে না। 




অনুবাদঃ আত্মশুদ্ধির জন্য যোগীরা কর্মফলের আসক্তি ত্যাগ করে দেহ, মন, বুদ্ধি, এমন কি ইন্দ্রিয়ের দ্বারাও কর্ম করেন। 

অনুবাদঃ যোগী কর্মফল ত্যাগ করে নৈষ্ঠিকী শান্তি লাভ করেন; কিন্তু সকাম কর্মী কর্মফলের প্রতি আসক্ত হয়ে কর্ম করার ফলে কর্মের বন্ধনে আবদ্ধ হয়। 
 

 অনুবাদঃ বাহ্যে সমস্ত কার্য করেও মনের দ্বারা সমস্ত কর্ম ত্যাগ করে জীব নবদ্বার-বিশিষ্ট দেহরুপ গৃহে পরম সুখে বাস করতে থাকেন; তিনি নিজে কিছুই করেন না এবং কাউকে দিয়েও কিছু করান না। 


অনুবাদঃ দেহরূপ নগরীর প্রভু জীব কর্ম সৃষ্টি করে না, সে কাউকে দিয়ে কিছু করায় না এবং সে কর্মের ফলও সৃষ্টি করে না। এই সবই হয় জড়া প্রকৃতির গুণের প্রভাবে। 
 

 

অনুবাদঃ পরমেশ্বর ভগবান জীবের পাপ অথবা পুণ্য কিছুই গ্রহণ করেন না। অজ্ঞানের দ্বারা প্রকৃত জ্ঞান আবৃত হওয়ার ফলে জীবসমূহ মোহাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। 


অনুবাদঃ জ্ঞানের প্রভাবে যাঁদের অজ্ঞান বিনষ্ট হয়েছে, তাঁদের সেই জ্ঞান অপ্রাকৃত পরমতত্ত্বকে প্রকাশ করে, ঠিত যেমন দিনমানে সূর্যের উদয়ে সব কিছু প্রকাশিত হয়। 
 

অনুবাদঃ যাঁর বুদ্ধি ভগবানের প্রতি উন্মুখ হয়েছে, মন ভগবানের চিন্তায় একাগ্র হয়েছে, নিষ্ঠা ভগবানের দৃঢ় হয়েছে এবং যিনি ভগবানকে তাঁর একমাত্র আশ্রয় বলে গ্রহণ করেছেন, জ্ঞানের দ্বারা তাঁর সমস্ত কলুষ সম্পূর্ণরূপে বিধৌত হয়েছে এবং তিনি জন্ম-মৃত্যুর বন্ধন থেকে মুক্ত হয়েছেন। 
 

অনুবাদঃ জ্ঞানবান পন্ডিতেরা বিদ্যা-বিনয়সম্পন্ন ব্রাহ্মণ, গাভী, হস্তী, কুকুর ও চন্ডাল সকলের প্রতি সমদর্শী হন। 

অনুবাদঃ যাঁদের মন সাম্যে অবস্থিত হয়েছে, তাঁরা ইহলোকেই জন্ম ও মৃত্যুর সংসার জয় করেছেন। তাঁরা ব্রহ্মের মতো নির্দোষ, তাই তাঁরা ব্রহ্মেই অবস্থিত হয়ে আছেন। 
 

অনুবাদঃ যে ব্যক্তি প্রিয় বস্তুর প্রাপ্তিতে উৎফুল্ল হন না এবং অপ্রিয় বস্তুর প্রাপ্তিতে বিচলিত হন না, যিনি স্থিরবুদ্ধি, মোহশূন্য ও ভগবৎ-তত্ত্ববেত্ত, তিনি ব্রহ্মেই অবস্থিত।
 

অনুবাদঃ সেই প্রকার ব্রহ্মবিৎ পুরুষ কোন রকম জড় ইন্দ্রিয়সুখ ভোগের প্রতি আকৃষ্ট হন না, তিনি চিদগত সুখ লাভ করেন। ব্রহ্মে যোগযুক্ত হয়ে তিনি অক্ষয় সুখ ভোগ করেন। 
 

অনুবাদঃ বিবেকবান পুরুষ দুঃখের কারণ যে ইন্দ্রিয়জাত বিষয়ভোগ তাতে আসক্ত হন না। হে কৌন্তেয়! এই ধরনের সুখভোগ আদি ও অন্তবিশিষ্ট। তাই, জ্ঞানী ব্যক্তিরা তাতে প্রীতি লাভ করেন না। 
 

 অনুবাদঃ এই দেহ ত্যাগ করার পূর্বে যিনি কাম, ক্রোধ থেকে উদ্ভুত বেগ সহ্য করতে সক্ষম হন, তিনিই যোগী এবং এই জগতে তিনিই সুখী হন।

 

অনুবাদঃ যিনি আত্মাতেই সুখ অনুভব করেন, যিনি আত্মাতেই ক্রীড়াযুক্ত এবং আত্মাই যাঁর লক্ষ্য, তিনিই যোগী। তিনি ব্রহ্মে অবস্থিত হয়ে ব্রহ্মনির্বাণ লাভ করেন।

অনুবাদঃ সংযতচিত্ত, সমস্ত জীবের কল্যাণে রত এবং সংশয় রহিত নিষ্পাপ ঋষিগণ ব্রহ্মনির্বাণ লাভ করেন।

অনুবাদঃ কাম-ক্রোধশূন্য, সংযতচিত্ত, আত্মতত্ত্বজ্ঞ সন্ন্যাসীরা সর্বতোভাবে অচিরেই ব্রহ্মনির্বাণ লাভ করেন।

অনুবাদঃ মন থেকে বাহ্য ইন্দ্রিয়ের বিষয় প্রত্যাহার করে, ভ্রুযুগলের মধ্যে দৃষ্টি স্থির করে, নাসিকার মধ্যে বিচরণশীল প্রাণ ‍ও অপান বায়ুর উর্ধ্ব ও অধোগতি রোধ করে, ইন্দ্রিয়, মন ও বুদ্ধি সংযম করে এবং ইচ্ছা, ভয় ও ক্রোধ শূন্য হয়ে যে মুনি সর্বদা বিরাজ করেন, তিনি নিশ্চিতভাবে মুক্ত।

অনুবাদঃ আমাকে সমস্ত যজ্ঞ ও তপস্যার পরম ভোক্তা, সর্বলোকের মহেশ্বর এবং সমস্ত জীবের সুহৃদরূপে জেনে যোগীরা জড় জগতের দুঃখ-দুর্দশা থেকে মুক্ত হয়ে শান্তি লাভ করেন।

পঞ্চম অধ্যায় আমাদের শেখায়—কাজ ছাড়তে হবে না, তবে ফলের আসক্তি ছাড়তে হবে। যখন কর্ম হবে ঈশ্বরের উদ্দেশ্যে, তখনই তা হবে মুক্তির পথ।
এই ধারার প্রতিটি অধ্যায় শুনে নিজের জীবনে শান্তি, স্থিতি ও ভক্তির আলো আনুন।"

📢ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক করুন, শেয়ার করুন এবং চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করতে ভুলবেন না।
🕉️ জয় শ্রীকৃষ্ণ। জয় গীতা।


সমাপ্ত
-------------


🎥 ভিডিও প্রজেক্ট: শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা – অধ্যায় ৫: কর্মসন্ন্যাস যোগ (Bangla Gita Chapter 5)
উৎস – শ্রীল অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ অনুবাদ সহ
বিষয়বস্তু: মূল শ্লোক, বাংলা অনুবাদ ও আধুনিক ব্যাখ্যা সহ ভিডিও উপস্থাপন


📌 🎬 Video Title (ইউটিউব টাইটেল):

"

🎼 📢 Video Intro Script (ভয়েস ও মিউজিক সহ):

🎵 (শান্ত, স্নিগ্ধ সঙ্গীত চলবে)
🎙️ভয়েসওভার:
""


📖 📜 Main Script With Explanation (স্লোক, অনুবাদ ও ব্যাখ্যা সহ):

প্রতিটি শ্লোকের পর ধারাবাহিকভাবে:


🎙️ শ্লোক ৫.১

অর্জুন উবাচ:
হে শ্রীকৃষ্ণ! তুমি একবার কর্মত্যাগ ও আবার কর্মযোগের কথা বলছো – কোনটি শ্রেয়?
🧘 ব্যাখ্যা: অর্জুন দ্বিধায় পড়ে গেছেন। শ্রীকৃষ্ণ স্পষ্টতা দিচ্ছেন—আসলে আত্মিক উপলব্ধি আছে যেই পদ্ধতিতে, সেটিই শ্রেয়।


🎙️ শ্লোক ৫.২

ভগবান বললেন:
কর্মত্যাগ ও কর্মযোগ দুইই মুক্তিদায়ক, তবে কর্মযোগ উত্তম।
🧘 ব্যাখ্যা: সম্পূর্ণ ত্যাগ নয়, সেবা-ভাবনা সহকারে কর্ম করাও মোক্ষের পথ।


🎙️ শ্লোক ৫.৩ - ৫.৬

সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা সহ:
যিনি কর্মফলে আসক্ত নন, তিনিই প্রকৃত সন্ন্যাসী। যিনি কর্মযোগে যুক্ত, তিনিই শীঘ্র ব্রহ্ম উপলব্ধি করেন।


🎙️ শ্লোক ৫.৭ - ৫.১১

যোগী কর্মে থাকেন, তবু কর্মে লিপ্ত হন না।
🧘 ব্যাখ্যা: প্রকৃত যোগী ইন্দ্রিয় দ্বারা কর্ম করেন, কিন্তু নিজেকে দেহ-চিন্তা থেকে মুক্ত রাখেন। পদ্মপাতায় জলের মতো তিনি কর্মফলে ভিজে না।


🎙️ শ্লোক ৫.১২ - ৫.১৮

সমদৃষ্টির শিক্ষা:
🧘 ব্যাখ্যা: যোগী সকল জীবের মধ্যে ঈশ্বরকে দেখেন—ব্রাহ্মণ, গরু, কুকুর, চণ্ডাল—সকলের মধ্যেই সমদৃষ্টি।


🎙️ শ্লোক ৫.১৯ - ৫.২৩

ব্রহ্মে অবস্থিত শান্ত যোগী:
🧘 ব্যাখ্যা: যিনি প্রিয়-অপ্রিয় উভয়ে নির্লিপ্ত, ইন্দ্রিয়সুখে মগ্ন নন, তিনিই সত্যিকারের আনন্দের স্বরূপকে পান।


🎙️ শ্লোক ৫.২৪ - ৫.২৮

আত্মস্থ যোগীই ব্রহ্মের জ্যোতিরূপ আনন্দ লাভ করেন।
🧘 ব্যাখ্যা: কাম-ক্রোধ জয় করে, দেহে থাকলেও ইহজীবনে মুক্তির স্বাদ পান।


🎙️ শ্লোক ৫.২৯

শেষ শ্লোক:
"ভগবানই সকল যজ্ঞের ভোক্তা, সকল জীবের বন্ধু। যিনি তাঁকে এমন জানেন, তিনিই চিরশান্তি লাভ করেন।"
🧘 ব্যাখ্যা: ঈশ্বরকে হৃদয়ে স্থান দিলে জড় সংসারের কষ্ট আর তেমন লাগে না।


🎬 🎤 End Script (শেষাংশ):

🎙️ভয়েসওভার:
"পঞ্চম অধ্যায় আমাদের শেখায়—কাজ ছাড়তে হবে না, তবে ফলের আসক্তি ছাড়তে হবে। যখন কর্ম হবে ঈশ্বরের উদ্দেশ্যে, তখনই তা হবে মুক্তির পথ।
এই ধারার প্রতিটি অধ্যায় শুনে নিজের জীবনে শান্তি, স্থিতি ও ভক্তির আলো আনুন।"

📢ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক করুন, শেয়ার করুন এবং চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করতে ভুলবেন না।
🕉️ জয় শ্রীকৃষ্ণ। জয় গীতা।


🏷️ Hashtags (ভিডিওর নিচে দেওয়ার জন্য):

#GeetaChapter5 #BanglaGita #SrimadBhagavadGita #KarmaSannyasaYoga #GitaInBengali #BhagavadGitaExplained #SpiritualKnowledge #KrishnaBhakti #KarmaYoga #GeetaWisdom #BanglaBhakti








Comments

Popular posts from this blog

The Guilt That Eats You Alive: How the Bhagavad Gita Teaches Self-Forgiveness

How to Keep Hoping, Even When Nothing Goes Your Way – Lessons from the Bhagavad Gita